রবীন্দ্রনাথ প্রামানিক

রবীন্দ্রনাথ প্রামানিক

প্রধান শিক্ষক

জ্ঞানই আলো। এ আলো ছড়িয়ে দেয়াই শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। জ্ঞানালোকে নিজেকে, নিজের

সমাজ, দেশ ও জগৎটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলাই লক্ষ্য। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ছাত্র-ছাত্রীদের তথা ভবিষ্যৎ নাগরিকদের আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন করে গড়ে তোলার এ তাগিদ আজ পৃথিবীর সব দেশ ও জাতির অন্যতম অগ্রাধিকার। মহাপবিত্র কাজে নিয়োজিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে যোগদান করে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এজন্য মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে জানাই অসীম কৃতজ্ঞতা। আমি আরো কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি সেই সম্মানিত ব্যক্তিদের যাদের নিরলস পরিশ্রমে ও অবদানে তৈরী হয়েছে এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপিঠ। আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি স্মর্গীয় মুকন্দমোহন পান্ডে মহাশয়কে। তিনি এ এলাকার মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য নিজের জমি দান করে তৈরী করেছিলেন ১৯০৮ সালে মুকন্দমোহন মিডিল ইংলিশ স্কুল। যাহা আজ কালিদাসখালী উচ্চ বিদ্যালয়ে রুপান্তরিত হয়েছে । আমি আরো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি মরহুম ডাঃ নাজমুল হক সরকার, মরহুম বসির উদ্দিন খাঁন, মরহুম বাহারুল ইসলাম খাঁন, মরহুম আব্দুল হক মালিথা, স্বর্গীয় অতুল কুমার হাজরা, মরহুম হাজী মসারতুল্লাহ, মরহুম কফির উদ্দিন, স্বর্গীয় শিশির কুমার পান্ডে সহ আরো অনেক জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিদের। পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন এ জ্ঞানী গুণীরা কিন্তু রেখে গেছেন তাদের নিরলস শ্রমের ফসল এই বিদ্যাপিঠ। এই বিদ্যাপিঠ থেকে জ্ঞান অর্জন করে অনেক সনামধন্য ছাত্র-ছাত্রীগণ দেশ গড়ার কাজে অবদান রেখেছেন এবং এখনও রেখে যাচ্ছেন। আমি আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে অভিনন্দন জানাই সেই সকল ছাত্র-ছাত্রীদের যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন। এ বিদ্যালয়ে বর্তমানে প্রায় ৫০০ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যয়ণ করছে এবং প্রতি বছর জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ত্বের সাথে ১০০% উত্তীর্ণ হয়েছে। আমি অভিনন্দন জানাই আমার এ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান স্বনামধন্য ছাত্র-ছাত্রীদের

পরিশেষে আমি সকলের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।